নিজস্ব প্রতিনিধি
ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাতিঘরের উদ্যোগে আবারও একটি অ//জ্ঞাত যুবকের ছি//ন্ন বি//চ্ছিন্ন ও খ//ণ্ড-বিখ//ণ্ড বে//ওয়ারিশ লা//শ দা//ফন সম্পন্ন করেছি।
অ//জ্ঞাত যুবকের পরিচয় শনাক্ত হয়নি বলে ৬ দিন অপেক্ষার পর রোববার (১৬ আগস্ট) বিকাল ৪টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাতিঘর-এর উদ্যোগে অ//জ্ঞাত বে//ওয়ারিশ লা//শ হিসেবে দা//ফন সম্পন্ন হয়েছে।
বে//ওয়ারিশ ম//রদে//হের সংক্ষিপ্ত বিবরণ:
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে সিলেট-ঢাকা মহাসড়কে একাধিক গাড়ির চাকায় পি//ষ্ট হয়ে অ//জ্ঞাত পরিচয় এক যুবকের মৃ//ত্যু হয়েছে। নি//হত যুবকের বয়স আনুমানিক ২০ বছর। তবে দু//র্ঘটনায় তার ম//রদে//হটি ছি//ন্ন বি//চ্ছিন্ন ও খ//ণ্ড-বি//খণ্ড হয়ে যাওয়ায় এবং মুখমণ্ডল ও হাতের আঙুলের অংশ না পাওয়ায় ফিঙ্গারপ্রিন্টের মাধ্যমে পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। গত সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৮টার দিকে সরাইল উপজেলার শ্রীডোবা এলাকায় ঢাকামুখী লেনে ওই যুবকের খ//ণ্ড-বি//খণ্ড ম//রদে//হ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেন। পরে খাঁটিহাতা হাইওয়ে থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে ম//রদে//হের বিভিন্ন অংশ উদ্ধার করে।
হাইওয়ে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল ৮টা ৪০ মিনিটের দিকে এসআই (নিঃ) মো. আব্দুল বাতেন সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। পরে অ//জ্ঞাত পরিচয় ওই যুবকের ম//রদে//হের খ//ণ্ডিত অংশের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের ম//র্গে পাঠানো হয়। পরিচয় শনাক্তের লক্ষ্যে বিষয়টি পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ইউনিটকে জানানো হয়। পরে পিবিআইয়ের একটি দল হাসপাতালে গিয়ে ফিঙ্গারপ্রিন্ট সংগ্রহের চেষ্টা করলেও ম//রদেহের হাতের আঙুল না পাওয়ায় ফিঙ্গারপ্রিন্টের মাধ্যমে পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব নয়। এ অবস্থায় পরিচয় নিশ্চিত করতে ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসককে ডিএনএ নমুনা সংগ্রহের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। ম//য়নাত//দন্ত শেষে ম//রদে//হটি হাসপাতালের হি//মাগারে রাখা হয়েছে। ওই যুবকের পরিচয় শনাক্ত হয়নি বলে ৬ দিন অপেক্ষার পর রোববার (১৬ আগস্ট) বিকাল ৪টার দিকে Brahmanbaria Batighar – ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাতিঘর-এর উদ্যোগে অ//জ্ঞাত বে//ওয়ারিশ লা//শের দা//ফন কাজ সম্পন্ন করেছি।
ম//রদে//হটি একাধিক গাড়ির নিচে পি//ষ্ট হয়ে ছি//ন্ন বি//চ্ছিন্ন হয়ে গেছে। মুখমণ্ডলসহ শরীরের অনেক অংশ পাওয়া যায়নি। হাতের আঙুলও নেই, তাই ফিঙ্গারপ্রিন্ট নেওয়া সম্ভব হয়নি। শরীরের যতটুকু অংশ পাওয়া গেছে, তা সংগ্রহ করে বস্তা//বন্দি করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। শুধু যৌ//নাঙ্গ দেখে নি//হত যুবক পুরুষ বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।” পরিচয় শনাক্তে হাইওয়ে পুলিশ, পিবিআই এবং ‘ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাতিঘর’-এর সহযোগিতায় প্রচার-প্রচারণাসহ বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ ও প্রচারের কাজ চালিয়ে পরিচয় শনাক্ত হয়নি।
সূত্র- খাঁটিহাতা হাইওয়ে থানা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, সাধারণ ডাইরি নং- ২৫৫, তারিখ- ১০.০৮.২০২৬ ইং
আলহামদুলিল্লাহ্।
এখন পর্যন্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়া বাতিঘরের উদ্যোগে ২৬৮ টি বে//ওয়ারিশ লা//শ দা//ফন কাজ সম্পন্ন করেছি।