ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাবেক ভিপি ও গণঅধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় নেতা নুরুল হক নুরের ওপর হামলার প্রতিবাদে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে রোববার (৩১ আগস্ট) রাতে এক বিক্ষোভমুখর মশাল মিছিল বের করা হয়। এদিন সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে থানা চত্বরে সমাবেশের মধ্য দিয়ে কর্মসূচি শেষ হয়।
মশাল মিছিলটি শুরু থেকেই জনবহুল ও উচ্ছ্বসিত হয়ে ওঠে। হাতে হাতে জ্বলন্ত মশাল, প্রতিবাদী স্লোগান আর ব্যানার-পোস্টার নিয়ে শতাধিক নেতাকর্মী একত্রিত হয়ে হামলার ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান। সমাবেশে বক্তারা বলেন, “ভিপি নুর কেবল একজন ব্যক্তি নন, তিনি জনগণের অধিকার ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনের প্রতীক। তার ওপর হামলা মানে জনগণের কণ্ঠরোধের চেষ্টা।”
মিছিলে নেতৃত্ব দেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা শ্রমিক অধিকার পরিষদের আহ্বায়ক মো. সিব্বির আহাম্মেদ। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন শ্রমিক অধিকার পরিষদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. আব্দুল্লাহ, বিজয়নগর উপজেলা গণঅধিকার পরিষদের আহ্বায়ক মো. শাহআলম ভুইয়া, সদস্য সচিব মো. খান দেলোয়ার হোসেন, যুব অধিকার পরিষদের আহ্বায়ক মো. আলআমিন খন্দকার, ছাত্র অধিকার পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. ওসমান খানসহ আরও অনেকেই।
এছাড়া সমাবেশে যোগ দেন উপজেলা গণঅধিকার পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. জন্টু মিয়া, মো. সফিক খন্দকার, পাহাড়পুর ইউনিয়ন শাখার আহ্বায়ক মো. সাদ্দাম শিশিরসহ বিভিন্ন ইউনিটের নেতাকর্মীরা।
বক্তারা অভিযোগ করেন, দেশে গণতান্ত্রিক পরিবেশ ধ্বংস করতে ধারাবাহিকভাবে ভিন্নমতের ওপর হামলা চালানো হচ্ছে। তারা হামলার সুষ্ঠু বিচার দাবি করে হুঁশিয়ারি দেন যে, দোষীদের আইনের আওতায় না আনা হলে সারা দেশে আরও বৃহত্তর আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।
সমাবেশে শেষ মুহূর্তে বক্তারা ঐক্যের ডাক দিয়ে বলেন—“গণঅধিকার রক্ষা ও রাজনৈতিক স্বাধীনতার জন্য লড়াই আজ অপরিহার্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। হামলা-নিপীড়ন দিয়ে কোনো আন্দোলন দমন করা যাবে না।”