মোহাম্মদ মোস্তফা ব্রাহ্মণবাড়িয়া।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলায় জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে পালিত হল মহান বিজয় দিবস ১৬ই ডিসেম্বর ২০২৫ অনুষ্ঠানটি সভাপতিত্ব করেন কসবা উপজেলা নির্বাহী অফিসার সামিউল ইসলাম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার ভূমি, কসবা ও নবাগত ওসি অফিসার ইনচার্জ নাজনীন সুলতানা। কসবা উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সূর্য উদয়ের সাথে সাথে শহীদ মিনারে পুষ্প অর্পণের পর কুচকাওয়াজের মধ্য দিয়ে জমকালো আয়োজনে। কসবা উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে আগত শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে খেলাধুলায় মেতে উঠেন শিক্ষার্থীরা। স্কাউটদের ও অংশগ্রহণে আরো প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে অনুষ্ঠানটি। সকলের অংশগ্রহণ শেষে কসবা উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে আগত শিক্ষার্থী দের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানের সভাপতি কসবা উপজেলা নির্বাহী অফিসার সামিউল ইসলামের অনুভূতি জানতে চাইলে তিনি প্রতিবেদক কে জানান। কসবা উপজেলার সকল স্তরের সাধারণ মানুষ এবং বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী জনসাধারণ জনপ্রতিনিধি এবং কসবা উপজেলা প্রশাসনের সকল কর্মকর্তা কর্মচারী সকলকে নিয়ে। নিয়ে আমি এই দিবস উদযাপন করতে পেরে আমি নিজেকে ধন্য মনে করছি। আমাকে সার্বিক সহযোগিতা করেছেন সহকারী কমিশনার ভূমি কসবা এবং নবাগত কসবা থানা অফিসার ইনচার্জ ওসি নাজনীন সুলতানা সহ সকল কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আমাকে সার্বিক সহযোগিতা করেছেন। আমি আশা করছি কসবা উপজেলার তথা সর্বস্তরের জনগণের সেবক হিসেবে আমি কসবা উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসাবে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে আমি আমার পক্ষ থেকে শত প্রতিকূলতার মধ্য দিয়েও আমি যথাসম্ভব জনগণের পাশে থেকে কসবা উপজেলার সার্বিক সেবা করার চেষ্টা করছি এবং করে যাব ইনশাআল্লাহ। আমি আশা করছি কসবা উপজেলার সর্বসাধারণ আমার পাশে আছে এবং আমাকে সার্বিক সহযোগিতা দিচ্ছে। এবং আমি কসবা উপজেলা কে একটি মডেল উপজেলা হিসাবে সাজাতে চাই। মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে বক্তব্য জানতে চাইলে সহকারী কমিশনার ভূমি কসবা তিনি জানান আমি আজকের এই মহান বিজয় দিবসে উপস্থিত হতে পেরে নিজেকে খুব ধন্য মনে করছি এবং আমি খুব আনন্দিত ফিল করছি আমি আশা করছি আমরা যেহেতু জনগণের সেবক এবং এই কসবা উপজেলায় আমি কর্মরত রয়েছি আমি কসবা উপজেলা বাসির সহযোগিতা চাই। আমি আশা করছি কসবা উপজেলার সর্বস্তরের মানুষ আজকের এই মহান বিজয় দিবস আনন্দের সাথে দিবসটি তারা উদযাপন করছেন। এবং আমি নিজে উপস্থিত থাকতে পেরে আমি নিজেকেও ধন্য মনে করছি যেহেতু আমি কসবা উপজেলার সহকারী কমিশনার ভূমি ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হিসাবে কর্মরত রয়েছি আমি নিজেও কসবা উপজেলার সর্বস্তরের জনগণের সহযোগিতা চাই। আমরা আশা করছি কসবা উপজেলার সাধারণ মানুষের সহযোগিতায় আমরা আরও এগিয়ে যেতে পারবো এবং জনগণ সর্বাত্মক সহযোগিতা পাব ইনশাআল্লাহ। এ বিষয়ে আমরা বক্তব্য জানতে চাই নবাগত কসবা থানা অফিসার ইনচার্জ ওসি নাজনীন সুলতানার তিনি জানান আজকের এই মহান বিজয় দিবসে আমি উপস্থিত হতে পেরে আমি নিজেকে অনেক ধন্য মনে করছি। আমাদের আরো প্রশ্ন ছিল যেহেতু কসবা উপজেলাটি সীমান্তবর্তী এ থানাটির ২১ কিলোমিটার জুড়ে পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের সীমান্ত। এই ভারতীয় সীমান্ত এত বড় সীমান্ত এলাকায় আমাকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে আজকের মহান বিজয় দিবসে আমি কসবা উপজেলার প্রশাসনের সাথে থেকে এই অনুষ্ঠানটি উপভোগ করেছি। এবং যেহেতু এই এলাকাটি সীমান্তবর্তী ২১ কিলোমিটার সীমান্ত রয়েছে পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের সাথে। কাজেই এই থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি হিসেবে আমি দায়িত্ব নিয়েছি আমি কসবা উপজেলা বাসির সহযোগিতা চাই এবং আমি আশা করছি শত প্রতিকূলতার মধ্য দিয়েও আমি আমার পেশাগত দায়িত্ব পালনে পিস পাওয়া হবে না। এবং কসবা উপজেলার জনসাধারণের জান মালের নিরাপত্তার দায়িত্ব যেহেতু পুলিশের সেই ক্ষেত্রে আমি নিরলস ভাবে এই থানাকে ঢেলে সাজানোর জন্য প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য বদ্ধপরিকর। আরেকটি বিষয় আপনারা জানেন এই উপজেলায় মাদকের ছড়াছড়ি রয়েছে সীমান্তের বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে এবং আমাদের পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কঠোর নির্দেশনা রয়েছে মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্সে কাজ করার জন্য এই ধারাবাহিকতা বজায় রেখে আমি সকল ধরনের মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্সে কাজ করার জন্য জনগণের সহযোগিতা চাই। আমি আশা করছি কসবা উপজেলার সকল সুশীল সমাজ আমাকে সকল ধরনের তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করবেন।