নিজস্ব প্রতিনিধি
৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর ভেঙে পড়া স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা পুনর্গঠনে বড় পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে নবনির্বাচিত সরকার। সিটি করপোরেশন, জেলা পরিষদ ও উপজেলা পরিষদের স্থবিরতা কাটাতে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের মাধ্যমেই শুরু হচ্ছে এই নির্বাচনী প্রক্রিয়া।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে দেশের প্রায় সব স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান অভিভাবকশূন্য হয়ে পড়ে। অন্তর্বর্তী সরকার সিটি করপোরেশনগুলোতে প্রশাসক নিয়োগ দিলেও অধিকাংশ ক্ষেত্রেই কার্যক্রম চলেছে স্থবির গতিতে। গত ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর সরকার গঠন করে স্থানীয় পর্যায়ে শৃঙ্খলা ফেরাতে তোড়জোড় শুরু করেছে।
নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার জানিয়েছেন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের বর্তমান বিধিমালা সংশোধনের কাজ চলছে। বিধিমালা চূড়ান্ত হওয়ার পরপরই ভোটের তফসিল ঘোষণা করা হবে। নির্বাচন কমিশন (ইসি) ইতিমধ্যে এ বিষয়ে তাদের প্রাথমিক কর্মপরিকল্পনা ও প্রস্তুতি শুরু করেছে।
সরকার গঠন করেই বিএনপি নেতৃত্বাধীন প্রশাসন সিটি করপোরেশন ও উপজেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে। তবে সরকারের পক্ষ থেকে বারবার আশ্বস্ত করা হচ্ছে যে, জনগণের প্রতিনিধি নির্বাচনের মাধ্যমে এই প্রশাসক প্রথা দ্রুতই বিলুপ্ত করা হবে।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন দিয়ে শুরু হওয়া এই প্রক্রিয়া স্থানীয় পর্যায়ে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে সহায়ক হবে।