প্রেমের টানে হিন্দু থেকে মুসলিম হয়ে বিয়ে,প্রেমিক স্বামীর প্রতারনা: ৩ সন্তানসহ অসহায় জিয়াসমিনের আকুতি।

নিজস্ব প্রতিনিধি 

সনাতন ধর্ম ত্যাগ করে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ ও ভালোবেসে ঘর বাঁধার পর তিন সন্তানকে নিয়ে চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন মোছাঃ জিয়াসমিন আক্তার (পূর্বের নাম প্রিয়া রানী দাস)। স্বামী ছেড়ে যাওয়ার পর তিন সন্তানকে নিয়ে বর্তমানে মানবেতর জীবনযাপন করছেন তিনি।

জানা যায়, সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক উপজেলার লক্ষ্মীপুর গ্রামের গোপাল দাসের মেয়ে প্রিয়া রানী দাস দীর্ঘদিনের অধ্যয়ন ও শ্রদ্ধাবোধ থেকে প্রায় ১০ বছর পূর্বে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। আইনি প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ব্রাহ্মণবাড়িয়া নোটারী পাবলিকের কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে এক হলফনামার মাধ্যমে তিনি প্রিয়া রানী দাস নাম পরিবর্তন করে ‘মোছাঃ জিয়াসমিন আক্তার’ নাম ধারণ করেন।

ধর্মান্তরিত হওয়ার মূল প্রেক্ষাপট ছিল ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নাসিরনগর উপজেলার নুরপুর পাঠানিশা গ্রামের মিজানুর রহমানের সাথে প্রেম ও বিয়ে। তবে বিয়ের পর তাদের সংসারে এক মেয়ে ও দুই ছেলে সন্তানের জন্ম হলে সম্প্রতি মিজানুর রহমান স্ত্রী-সন্তানদের ফেলে অন্যত্রে পুনরায় বিয়ে করে চলে যান।

বর্তমানে ৯ বছর, সাড়ে ৩ বছর এবং ৯ মাস বয়সী তিন অবুঝ শিশুকে নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন জিয়াসমিন।তিনি শহরের মেড্ডা এলাকার বনানী পাড়ায় একটি ভাড়া বাসায় থাকেন। বাসা ভাড়া দেয়া তো দূরের কথা, শিশুদের মুখে খাবার তুলে দেয়াও তার পক্ষে অসম্ভব হয়ে পড়েছে। এর ওপর হাত ভেঙে যাওয়ায় অন্যের বাসায় কাজ করার উপায়টুকুও বন্ধ হয়ে গেছে তার।

এমতাবস্থায় তিন সন্তানের ভরণপোষণ ও জীবন বাঁচানোর তাগিদে দেশ ও প্রবাসে থাকা বিত্তবানদের কাছে মানবিক সহায়তার আবেদন জানিয়েছেন জিয়াসমিন আক্তার।

সাহায্য পাঠাতে বিকাশ নম্বর: 01701117797

Please follow and like us:
0
fb-share-icon20
Tweet 20
Pin Share20

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *