ভাতশালা রেলওয়ে স্টেশনে পাথর নিক্ষেপ বন্ধে জনসচেতনতামূলক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত।

নিজস্ব প্রতিনিধি 

চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ বন্ধ এবং এর ভয়াবহ ক্ষতিকর প্রভাব সম্পর্কে জনসচেতনতা সৃষ্টি করতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ভাতশালা রেলওয়ে স্টেশনে জনসচেতনতামূলক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট ২০২৬) সকাল ১১টায় ঐক্যবদ্ধ সদর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার উদ্যোগে ভাতশালা রেলওয়ে স্টেশনে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।

ঐক্যবদ্ধ সদর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আহ্বায়ক শেখ আরিফ বিল্লাহ আজিজী’র সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদের প্রশাসক আলহাজ্ব সিরাজুল ইসলাম সিরাজ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহমুদা জাহান এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ শাহ্ আলম।

এ সময় বক্তব্য রাখেন হারিস আহমেদ, তায়েফ ভূইয়া,এইচ এম জসিম উদ্দিন, মাহফুজুর রহমান পুষ্প,নুরুল ইসলাম (আরিফ)সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন,চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ একটি অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ও অমানবিক কাজ। এর কারণে যাত্রীদের গুরুতর আহত হওয়া, এমনকি প্রাণহানির ঘটনাও ঘটতে পারে। তাই এ ধরনের কর্মকাণ্ড বন্ধে শিশু-কিশোরসহ সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে ব্যাপক সচেতনতা সৃষ্টি করা প্রয়োজন।সভায় ভাতশালা রেলওয়ে স্টেশনে তিতাস ট্রেনের যাত্রাবিরতির দাবিও তুলে ধরা হয়।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা পরিষদের প্রশাসক আলহাজ্ব সিরাজুল ইসলাম সিরাজ বলেন, ভাতশালা রেলওয়ে স্টেশনে তিতাস ট্রেনের যাত্রাবিরতির বিষয়ে তিনি রেলওয়ের মহাপরিচালকের সঙ্গে কথা বলেছেন। তিনি বলেন, চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ অত্যন্ত অমানবিক ও বিপজ্জনক কাজ। এ বিষয়ে সবাইকে সতর্ক ও সচেতন থাকতে হবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মাহমুদা জাহান বলেন, ভাতশালা রেলওয়ে স্টেশনটি দীর্ঘদিন পরিত্যক্ত অবস্থায় থাকায় এখানে অনেকেই মাদক সেবন করে। স্টেশনটিকে মাদকমুক্ত করতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিতে হবে। পাশাপাশি ঐক্যবদ্ধ সদর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার এ ধরনের জনসচেতনতামূলক কর্মসূচির প্রশংসা করেন তিনি।

সভাপতির বক্তব্যে ঐক্যবদ্ধ সদর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আহ্বায়ক শেখ আরিফ বিল্লাহ আজিজী বলেন, “আমাদের ধারাবাহিক কর্মসূচির অংশ হিসেবেই আজকের এই আয়োজন। চলন্ত ট্রেনে পাথর নিক্ষেপ অত্যন্ত অমানবিক ও বিপজ্জনক একটি কাজ। এ বিষয়ে আমাদের সবাইকে সচেতন হতে হবে। জনস্বার্থে এ ধরনের সচেতনতামূলক কর্মসূচি ভবিষ্যতেও চলমান থাকবে।”

আলোচনা সভায় স্থানীয় বাসিন্দা, রেলযাত্রী, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এবং সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

Please follow and like us:
0
fb-share-icon20
Tweet 20
Pin Share20

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *